তেঁতুল ( Tamarind)
বাংলা বা স্থানীয় নামঃ তেঁতুল
ইউনানী নামঃ তামার হিন্দ
আয়ুর্বেদিক নামঃ আম্লিকা
হিন্দি নামঃ অমলী ও ঈমলী
সংস্কৃত নামঃ আম্লিকা , চুক্রিকা , চুক্রা, অম্লী , অম্ল , তিণ্ডিড়ী
ইংরেজি নামঃ Tamarind
বৈজ্ঞানিক নামঃ Tamarindus indicus Linn
পরিবারঃ Papilionaceae
.
ব্যবহৃত অংশঃ বীজ, পাতা ও ফলের মজ্জা ।
কার্যকারিতা ও ব্যবহারঃ
তেঁতুল বীজ সাধারন বলকারক, দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে ও যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে, বীর্যের উৎপাদন, শুক্রের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করে। মহিলাদের জরায়ুর শক্তিবর্ধন করে ।
তেঁতুল রক্ত ও পিত্তের প্রকোপ নিবারক এবং স্নিগ্ধকারক ও বিরেচক । বমন রোধ করে, উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরল হ্রাস করে।
.
আয়ুর্বেদিক মতে গুণ ও আময়িক প্রয়োগঃ
কাঁচা তেতুলের গুনঃ ইহা গুরুপাক, কফ পিত্ত বৃদ্ধি কারক, উষ্ণবীর্য, রুক্ষ ও লঘুপাক, ভেদক, অগ্নিবর্ধক, কষায়-অম্লরশ, বায়ু নাশক ও রক্তদুষ্টিকারক।
পাকা তেতুলের গুনঃ ইহা অম্ল- মধুররস,উষ্ণবীর্য, রুক্ষ, সারক, অগ্নীবর্ধক এবং কফ ও বায়ু নাশক, লঘুপাক, পিত্তবৃদ্ধি কর, দাহ ও রক্তদুষ্টি প্রকোপকারক।
শুষ্ক তেতুলের গুনঃ ইহা রুচি বৃদ্ধিকর ও শ্রান্তি, ক্লান্তি ও পিপাসায় উপশমকারক ।
(তথ্য সূত্রঃ আয়ুর্বেদীয় দ্রব্যগুণসার, লেখকঃ কবিরাজ শ্রী বাদল মজুমদার , প্রকাশকঃ বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিন ,৩য় প্রকাশঃ জুন ২০১১ , পৃষ্ঠাঃ ১৮৩)
.
তেঁতুল বীজের শাঁস চুর্ন শুক্রগাঢ় কারক ও বৃষ্য ।
(তথ্য সূত্রঃ আয়ুর্বেদীয় ভৈষজ্যতত্ত্ব ও দ্রব্যগুণ । লেখকঃ অধ্যক্ষ কবিরাজ শ্রী নিকেতন চক্রবর্তী , ১ম সংস্করণ , শহীদ দিবস ১৯৮৬ , পৃষ্ঠাঃ ১০২)
.
ইউনানী মতে গুনঃ
তেঁতুল শাঁস মাংশ ২য় শ্রেনীর শীতল ও শুষ্ক । মতান্তরে ১ম শ্রেনীর শীতল ও ২য় শ্রেনীর শুষ্ক । তেঁতুল বীজ ৩য় শ্রেনীর শীতল ও শুষ্ক ।
তেঁতুল বীজ সংকোচক, মোগাল্লেজ, স্তম্ভক ও স্বপ্নদোষ নাশক।
তেঁতুল হৃদপিণ্ড ও পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক এবং হৃদকম্প রোগে উপকারী , পিত্ত ও বিকৃত আখলাত দাস্ত আকারে বের করে দেয় , এবং রক্তের প্রকোপতা দমন করে অর্থাৎ দাওরানে খুন (মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন) রোধ করে । বমিভাব, পিত্তজনিত জ্বর পিপাসা, দাহ, মূচ্ছা ও সর্বপ্রকার চুলকানিতে উপকারী। তেতুলের পানি দিয়ে গড়গড়া করা মুখের ঘায়ে উপকারী ।
(তথ্য সূত্রঃ ইউনানী মেটিরিয়া মেডিকা, লেখকঃ প্রিন্সিপ্যাল আবদুর রব খান, প্রকাশকঃ বিসিরাম প্রকাশনী, ৩য় প্রকাশঃ ৫ইং ডিসেম্বর ২০০৩ইং, পৃষ্ঠাঃ ১৯৯ )
.
সেবন মাত্রাঃ
বীজের পাউডার ৩ থেকে ৭ গ্রাম ( তথ্য সূত্রঃ ইউনানী মেটিরিয়া মেডিকা, লেখকঃ প্রিন্সিপ্যাল আবদুর রব খান, প্রকাশকঃ বিসিরাম প্রকাশনী, ৩য় প্রকাশঃ ৫ইং ডিসেম্বর ২০০৩ইং, পৃষ্ঠাঃ ১৯৯ এবং রোগ ও উদ্ভিদতত্ত্ব ( ৪-৬ খন্ড), লেখকঃ হাকীম এম এ কালাম পাটোয়ারী, প্রকাশকঃ ক্যামরুজ পাবলিকেশন্স, সংস্করনঃ জুলাই -২০০৮, পৃষ্ঠাঃ ৭০ )
খাওয়ার সাধারণ নিয়মঃ
রাতে ১ চামচ পাউডার হাফ গ্লাস পানিতে ভেজাবেন এবং সকালে শুধু পানিটুকু খাবেন ও নিচে জমানো অংশ ফেলে দিবেন। সকালেও একই নিয়মে ভেজাবেন ও একই নিয়মে রাতে খাবেন। অথবা ডাক্তারের কাছে থেকে পরামর্শ নিয়ে খাবেন।
.
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ও বিরূপ ক্রিয়াঃ নির্ধারিত মাত্রায় কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ও বিরূপ ক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি ।
.
সতর্কতা ও প্রতিনির্দেশঃ
অতিরিক্ত মাত্রায় তেঁতুল সেবনে কাশি, জ্বর, প্লীহার ক্ষতি করে ও বদ্ধমল সৃষ্টি করে।
( তথ্য সূত্রঃ ইউনানী মেটিরিয়া মেডিকা, লেখকঃ প্রিন্সিপ্যাল আবদুর রব খান, প্রকাশকঃ বিসিরাম প্রকাশনী, ৩য় প্রকাশঃ ৫ইং ডিসেম্বর ২০০৩ইং, পৃষ্ঠাঃ ১৯৯)
.
এই ভেষজটি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক (আয়ুর্বেদিক, ইউনানী ও হোমিওতে সরকারী প্রাক্টিস রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত চিকিৎসক ও লেখক) পরিচালিত FH Shop .
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক এর সরাসরি নিজের তত্ত্বাবধানে হার্বস/ঔষধি ভেষজ থেকে সঠিক নিয়মে চুর্ন / পাউডার করা হয়েছে । কোনো কেমিকেল বা সাধারন পির্জাভেটিব ও ব্যবহার করা হয়নি ।
.
১০০% খাঁটি হার্বস ব্যবহার করার জন্য আমাদের কাস্টমার কেয়ারে ফোন দিন ,ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারির সুযোগ এবং ঢাকার বাহিরে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পন্য ডেলিভারি দেওয়া হয় ।
.
আমাদের কাষ্টমার কেয়ারও পরিচালিত হয় কোয়ালিফাইড ভেষজবিদ/আয়ুর্বেদ/ইউনানী চিকিৎসক এর তত্ত্বাবধানে ।
২০০ গ্রাম ১৫০ টাকা ।
Abir –
হার্বস দিয়ে চিকিৎসা আমার খুব প্রিয়। এ্যালোপ্যাথি ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই। এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাদেরকে 🙂
Shakil –
খুবই উপকারী। অসংখ্য ধন্যবাদ। একটি বিষয় জানার ছিলো, পানির সাথে নিচের জমানো অংশ খেলে কি কোন অসুবিধা হবে? আর একটানা কত দিন খেতে হবে?